ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের আগমনের শতবর্ষ উদযাপন: সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে মুখরিত রবীন্দ্র বটমূল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 74
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

​নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ | ২৯ মার্চ, ২০২৬
​একশ বছর আগে বাংলা সাহিত্যের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র—বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পদচারণায় ধন্য হয়েছিল ময়মনসিংহ।

সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের এক শতাব্দী পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) বিকেলে ময়মনসিংহের রবীন্দ্র বটমূলে আয়োজিত হলো এক বর্ণাঢ্য স্মরণ অনুষ্ঠান। “ময়মনসিংহে আগমনের ১০০ বছর উদযাপন” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, ময়মনসিংহ জেলা কমিটি।

​বিকেল ৪টা থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনে কথা, কবিতা, সংগীত ও নৃত্যের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটে, যা উপস্থিত দর্শকদের নিয়ে যায় শতবর্ষ আগের সেই স্মৃতিবিজড়িত দিনগুলোতে। পুরো আয়োজনটি সঞ্চালনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট কবি ও লেখক সাব্বির রেজা।

​অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বে বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের ময়মনসিংহে আগমনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং এই জনপদের শিল্প-সংস্কৃতিতে তাদের প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, ময়মনসিংহের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সনৎ কুমার ঘোষ।

​আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: ​গবেষক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, ​গবেষক জুলফিকার হায়দার
​গবেষক আলী আহমদ খান আইয়ুব ও ​গবেষক স্বপন ধর।

​বক্তারা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের আগমন কেবল একটি সফর ছিল না, বরং এটি ছিল ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক জাগরণের এক অনন্য অধ্যায়। এক শতাব্দী পর এই আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে সেই সোনালী ইতিহাসকে পরিচিত করার একটি বলিষ্ঠ প্রয়াস।

​আলোচনার পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রসংগীত, নজরুল গীতি এবং মনোজ্ঞ নৃত্য অনুষ্ঠানটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। কবির কবিতার পঙ্‌ক্তিমালায় মুখরিত হয়ে ওঠে ঐতিহাসিক রবীন্দ্র বটমূল প্রাঙ্গণ।
​আয়োজকদের মতে, এই অনুষ্ঠানটি ময়মনসিংহের “সাংস্কৃতিক আত্মা”কে নতুন করে জাগিয়ে তোলার একটি বিশেষ উদ্যোগ। উৎসুক জনতা এবং সাহিত্যপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ময়মনসিংহে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের আগমনের শতবর্ষ উদযাপন: সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে মুখরিত রবীন্দ্র বটমূল

আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

​নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ | ২৯ মার্চ, ২০২৬
​একশ বছর আগে বাংলা সাহিত্যের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র—বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পদচারণায় ধন্য হয়েছিল ময়মনসিংহ।

সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের এক শতাব্দী পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) বিকেলে ময়মনসিংহের রবীন্দ্র বটমূলে আয়োজিত হলো এক বর্ণাঢ্য স্মরণ অনুষ্ঠান। “ময়মনসিংহে আগমনের ১০০ বছর উদযাপন” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, ময়মনসিংহ জেলা কমিটি।

​বিকেল ৪টা থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনে কথা, কবিতা, সংগীত ও নৃত্যের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটে, যা উপস্থিত দর্শকদের নিয়ে যায় শতবর্ষ আগের সেই স্মৃতিবিজড়িত দিনগুলোতে। পুরো আয়োজনটি সঞ্চালনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট কবি ও লেখক সাব্বির রেজা।

​অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বে বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের ময়মনসিংহে আগমনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং এই জনপদের শিল্প-সংস্কৃতিতে তাদের প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ, ময়মনসিংহের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সনৎ কুমার ঘোষ।

​আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: ​গবেষক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, ​গবেষক জুলফিকার হায়দার
​গবেষক আলী আহমদ খান আইয়ুব ও ​গবেষক স্বপন ধর।

​বক্তারা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের আগমন কেবল একটি সফর ছিল না, বরং এটি ছিল ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক জাগরণের এক অনন্য অধ্যায়। এক শতাব্দী পর এই আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে সেই সোনালী ইতিহাসকে পরিচিত করার একটি বলিষ্ঠ প্রয়াস।

​আলোচনার পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রসংগীত, নজরুল গীতি এবং মনোজ্ঞ নৃত্য অনুষ্ঠানটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। কবির কবিতার পঙ্‌ক্তিমালায় মুখরিত হয়ে ওঠে ঐতিহাসিক রবীন্দ্র বটমূল প্রাঙ্গণ।
​আয়োজকদের মতে, এই অনুষ্ঠানটি ময়মনসিংহের “সাংস্কৃতিক আত্মা”কে নতুন করে জাগিয়ে তোলার একটি বিশেষ উদ্যোগ। উৎসুক জনতা এবং সাহিত্যপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।