ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তি নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 93
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ:সমাজে শান্তি, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক আস্থা, সহনশীলতা ও সামাজিক বন্ধন শক্তিশালী করা জরুরি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের এক পরামর্শ সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। সভাটির আয়োজন করে সোশ্যাল কোহেশন নেটওয়ার্ক (এসসিএন), এতে সহযোগিতা করে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।


সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানবসম্পদ) উম্মে হাবীবা মীরা। এতে সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় বক্তব্য দেন স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির পরিচালক স্বপন কুমার পাল এবং জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দিন আহমেদসহ অন্যরা।
স্বপন কুমার পাল বলেন, সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে স্থানীয় পর্যায়ে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা গেলে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে।


জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম ও তথ্যসেবার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক বার্তা প্রচারের মাধ্যমে সমাজে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া বাড়ানো সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উম্মে হাবীবা মীরা বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে নারী, যুব ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধির উদ্যোগ জোরদার করা হলে সমাজে সম্ভাব্য বিরোধ ও বিভেদ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা সামাজিক সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভবিষ্যতে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ময়মনসিংহে সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তি নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ:সমাজে শান্তি, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক আস্থা, সহনশীলতা ও সামাজিক বন্ধন শক্তিশালী করা জরুরি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের এক পরামর্শ সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। সভাটির আয়োজন করে সোশ্যাল কোহেশন নেটওয়ার্ক (এসসিএন), এতে সহযোগিতা করে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।


সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানবসম্পদ) উম্মে হাবীবা মীরা। এতে সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় বক্তব্য দেন স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির পরিচালক স্বপন কুমার পাল এবং জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দিন আহমেদসহ অন্যরা।
স্বপন কুমার পাল বলেন, সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে স্থানীয় পর্যায়ে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা গেলে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে।


জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম ও তথ্যসেবার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক বার্তা প্রচারের মাধ্যমে সমাজে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া বাড়ানো সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক উম্মে হাবীবা মীরা বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে নারী, যুব ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধির উদ্যোগ জোরদার করা হলে সমাজে সম্ভাব্য বিরোধ ও বিভেদ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা সামাজিক সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভবিষ্যতে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।