ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / 41
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেরপুর জেলা শহরের পৌরসভার খরমপুর মহল্লায় গলায় রশি পেঁচিয়ে মো. মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম (১৮) নামে এক কলেজশিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (১১ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম খরমপুর মহল্লার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোস্তফা কামালের ছেলে। নিহত মাহিম ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। এ বছর ২০২৬ সালের পরীক্ষার্থী ছিল সে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাহিমের মা রওশন আরা সদর উপজেলার হরিণধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। প্রতিদিনের মতো সোমবারও তিনি ছেলেকে বাসায় একা রেখে কর্মস্থলে যান। বিকেল প্রায় ৪টার দিকে তিনি বাসায় ফিরে দেখেন, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লিডার রফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা দেখতে পান, মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিলেন এবং পরে লুটিয়ে পড়েন।

পরে খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সোহেল রানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শেরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৯:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

শেরপুর জেলা শহরের পৌরসভার খরমপুর মহল্লায় গলায় রশি পেঁচিয়ে মো. মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম (১৮) নামে এক কলেজশিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (১১ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম খরমপুর মহল্লার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোস্তফা কামালের ছেলে। নিহত মাহিম ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। এ বছর ২০২৬ সালের পরীক্ষার্থী ছিল সে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাহিমের মা রওশন আরা সদর উপজেলার হরিণধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। প্রতিদিনের মতো সোমবারও তিনি ছেলেকে বাসায় একা রেখে কর্মস্থলে যান। বিকেল প্রায় ৪টার দিকে তিনি বাসায় ফিরে দেখেন, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লিডার রফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা দেখতে পান, মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিলেন এবং পরে লুটিয়ে পড়েন।

পরে খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সোহেল রানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।