Iran–United States সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে Bangladesh–এও। সরকারের রেশনিং পদ্ধতিতে তেল সরবরাহ শুরুর পরও রাজধানীর অনেক পেট্রোল পাম্পে এখনো স্বাভাবিক হয়নি সরবরাহ; কোথাও আবার তেল একেবারেই নেই।
সংশ্লিষ্টরা জানান, গত শুক্রবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল সরবরাহ শুরু হওয়ার আগে আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল কেনায় (প্যানিক বায়িং) অনেক পাম্পেই মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যায়। এছাড়া শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটির কারণে ডিপো থেকে তেলবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
রাজধানীর এয়ারপোর্ট এলাকায় অবস্থিত ডি এল ফিলিং স্টেশন ও মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশনেও সোমবার সকাল থেকে তেল ছিল না। পাম্পের কর্মীরা জানান, রোববার একটি করে তেলের গাড়ি এলেও তা সেদিনই শেষ হয়ে গেছে।
ডি এল ফিলিং স্টেশনের এক কর্মী বলেন, প্রতিদিন যেখানে ছয়টি গাড়ি তেল প্রয়োজন হয়, সেখানে এসেছে মাত্র একটি। এত কম সরবরাহে চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়।
অন্যদিকে বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশনে তুলনামূলকভাবে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। সেখানে তেল নিতে আসা গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের পাম্পে চাহিদা অনুযায়ী তেল আসছে।
পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির একাংশের সভাপতি Syed Sajjadul Karim বলেন, ডিপো থেকেই অনেক পাম্পে চাহিদার তুলনায় কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে কোথাও কোথাও তেল দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে Bangladesh Petroleum Corporation (বিপিসি)–এর এক কর্মকর্তা জানান, রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিতরণ করায় কিছু পাম্পে তেল দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। তবে দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং নতুন শিপমেন্টও এসেছে। শিগগিরই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।




















