ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ময়মনসিংহে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শ্রমিকের মৃত্যু গুলশান থেকে লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে অন্যরকম হাট, যেখানে বিক্রি হয় মানুষ ময়মনসিংহ মেডিকেলে ডেঙ্গুতে কিশোরের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৪ রোগী হবিগঞ্জে বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল হাসপাতালে কতৃপক্ষের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় মাদ্রাসা শিক্ষক মৃত্যুর অভিযোগ। উখিয়ায় সমাজসেবকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ মোবাইল হ্যাক করে ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ: ময়মনসিংহে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার ১ শেরপুরের গজনী এলাকায় বিজিবির অভিযান: ৩২১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, ৫ পাচারকারী পলাতক কেরানীগঞ্জে বোমা খোকনএক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, তদন্তের দাবি।

কোন বাধায় আটকে আছে তারেক রহমানের দেশে ফেরা?

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 163
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই সংকটের সময়ে তিনি তার অসুস্থ মায়ের পাশে থাকতে চান। কিন্তু দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত পুরোটা তার নিজের হাতে নেই। কেন তা তার হাতে নেই তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগও সীমিত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া তারেক রহমানের এই পোস্টের পর রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে, কী কারণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না?

এর মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে একটি ব্যাখ্যা এসেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে লেখেন, তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসায় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বাধা বা আপত্তি নেই।

তারেক রহমানের বক্তব্যে যে ‘বাধা’র প্রসঙ্গ এসেছে তা নিয়ে জানতে চাইলে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ উনি নিজেই ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এরপর আমার বলার কিছু নেই। এখানে আমার মতামত জরুরি নয়।’

 

তারেক রহমান দেশে ফিরতে চাইলে বাধাটা আসলে কোথায় তা নিয়ে বিএনপি নেতারাও খুব একটা খোলাসা করে বক্তব্য দিতে নারাজ। তারা বলছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে নানা ধরনের বাধা রয়েছে। আবেগ দিয়ে চিন্তা করলে কিংবা সিদ্ধান্ত নিলে হবে না। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পরে দল ও দেশের পরবর্তী একমাত্র ভরসা তারেক রহমান। সুতরাং তিনি তার দেশে ফেরা নিয়ে যে প্রতিবন্ধকতার কথা উল্লেখ করেছেন তা ঠিকই বলেছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘উনি (তারেক রহমান) এই বক্তব্য দিয়েছেন। এখানে অনেক রকম বাধা আসতে পারে, সেটা আপনারাও বোঝেন। কাজেই সেই বিবেচনায় উনি এই কথা বলেছেন। খোলাসা করে কিছু বলেননি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের তো উনি (তারেক রহমান) একমাত্র ভরসা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার পরে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য বলেন, ‘দেশে বিভিন্ন রকমের ঘটনা ঘটছে। নানা ধরনের উগ্রবাদী সংগঠন দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের মবের ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। এগুলো সামাল দেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, কিন্তু সেই বাহিনীর এখন কী অবস্থা? এ অবস্থায় তিনি (তারেক রহমান) কীভাবে আসবেন? মাঠ দেখার আগে যদি কিছু হয়ে যায়? তখন আমাদের (বিএনপির) কী হবে? বাংলাদেশের কী হবে? বাংলাদেশর হাল ধরার মতো লোক তো এখন উনি (তারেক রহমান) একজনই। আমাদের তো হিসাবি হতে হবে। শুধু আবেগ দিয়ে চিন্তা করলে তো হবে না।’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার নামে থাকা সব মামলা থেকে আইনি প্রক্রিয়ায় অব্যাহতি পেয়েছেন তারেক রহমান। এই সময়ের মধ্যে একবার দেশে এসেছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান।

অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ঘোষিত প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকায় বগুড়া-৬ আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তারেক রহমানকে।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা এবং অস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে বিএনপি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা কেবল মানবিক বা ব্যক্তিগত বিষয় নয়, দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতাও বিবেচ্য এখানে। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর অবস্থানও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সবমিলিয়ে বলা যায়, তারেক রহমানের দেশে ফেরা নির্ধারিত হবে ব্যক্তিগত বিবেচনা, দলীয় কৌশল এবং আন্তর্জাতিক শক্তির নীতিগত অবস্থানের ভারসাম্য রক্ষা করে।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানবলেন, ‘তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টি ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিষয় নয় বরং রাজনৈতিক বিষয়। এই অতি সংবেদনশীল একটি বিষয়। বিষয়টি নিয়ে বিএনপি বা তারেক রহমানের ওপর কোনো রকম চাপ প্রয়োগের সুযোগ নেই। এ অবস্থায় একজন সন্তানের কী ধরনের মানসিক পরিস্থিতি তৈরি হয় সেটা আমরা সবাই জানি।’

তারেক রহমান অত্যন্ত কষ্টে আছেন উল্লেখ করে এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, ‘কিন্তু এখনই দেশে ফেরার বিষয়ে তার একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। এটি দলের এবং বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় ও আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক রাজনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের নেতৃত্বের একটা বোঝাপড়া থাকে। এই বোঝাপড়া দেশে নেতৃত্বের সংকট তৈরি করে, একইসঙ্গে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কোন বাধায় আটকে আছে তারেক রহমানের দেশে ফেরা?

আপডেট সময় : ০১:২৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই সংকটের সময়ে তিনি তার অসুস্থ মায়ের পাশে থাকতে চান। কিন্তু দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত পুরোটা তার নিজের হাতে নেই। কেন তা তার হাতে নেই তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগও সীমিত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া তারেক রহমানের এই পোস্টের পর রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশ্ন উঠেছে, কী কারণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না?

এর মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে একটি ব্যাখ্যা এসেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে লেখেন, তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসায় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বাধা বা আপত্তি নেই।

তারেক রহমানের বক্তব্যে যে ‘বাধা’র প্রসঙ্গ এসেছে তা নিয়ে জানতে চাইলে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ উনি নিজেই ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এরপর আমার বলার কিছু নেই। এখানে আমার মতামত জরুরি নয়।’

 

তারেক রহমান দেশে ফিরতে চাইলে বাধাটা আসলে কোথায় তা নিয়ে বিএনপি নেতারাও খুব একটা খোলাসা করে বক্তব্য দিতে নারাজ। তারা বলছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে নানা ধরনের বাধা রয়েছে। আবেগ দিয়ে চিন্তা করলে কিংবা সিদ্ধান্ত নিলে হবে না। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পরে দল ও দেশের পরবর্তী একমাত্র ভরসা তারেক রহমান। সুতরাং তিনি তার দেশে ফেরা নিয়ে যে প্রতিবন্ধকতার কথা উল্লেখ করেছেন তা ঠিকই বলেছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘উনি (তারেক রহমান) এই বক্তব্য দিয়েছেন। এখানে অনেক রকম বাধা আসতে পারে, সেটা আপনারাও বোঝেন। কাজেই সেই বিবেচনায় উনি এই কথা বলেছেন। খোলাসা করে কিছু বলেননি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের তো উনি (তারেক রহমান) একমাত্র ভরসা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার পরে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য বলেন, ‘দেশে বিভিন্ন রকমের ঘটনা ঘটছে। নানা ধরনের উগ্রবাদী সংগঠন দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের মবের ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। এগুলো সামাল দেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, কিন্তু সেই বাহিনীর এখন কী অবস্থা? এ অবস্থায় তিনি (তারেক রহমান) কীভাবে আসবেন? মাঠ দেখার আগে যদি কিছু হয়ে যায়? তখন আমাদের (বিএনপির) কী হবে? বাংলাদেশের কী হবে? বাংলাদেশর হাল ধরার মতো লোক তো এখন উনি (তারেক রহমান) একজনই। আমাদের তো হিসাবি হতে হবে। শুধু আবেগ দিয়ে চিন্তা করলে তো হবে না।’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার নামে থাকা সব মামলা থেকে আইনি প্রক্রিয়ায় অব্যাহতি পেয়েছেন তারেক রহমান। এই সময়ের মধ্যে একবার দেশে এসেছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান।

অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ঘোষিত প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকায় বগুড়া-৬ আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তারেক রহমানকে।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা এবং অস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে বিএনপি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা কেবল মানবিক বা ব্যক্তিগত বিষয় নয়, দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতাও বিবেচ্য এখানে। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর অবস্থানও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সবমিলিয়ে বলা যায়, তারেক রহমানের দেশে ফেরা নির্ধারিত হবে ব্যক্তিগত বিবেচনা, দলীয় কৌশল এবং আন্তর্জাতিক শক্তির নীতিগত অবস্থানের ভারসাম্য রক্ষা করে।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানবলেন, ‘তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টি ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিষয় নয় বরং রাজনৈতিক বিষয়। এই অতি সংবেদনশীল একটি বিষয়। বিষয়টি নিয়ে বিএনপি বা তারেক রহমানের ওপর কোনো রকম চাপ প্রয়োগের সুযোগ নেই। এ অবস্থায় একজন সন্তানের কী ধরনের মানসিক পরিস্থিতি তৈরি হয় সেটা আমরা সবাই জানি।’

তারেক রহমান অত্যন্ত কষ্টে আছেন উল্লেখ করে এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, ‘কিন্তু এখনই দেশে ফেরার বিষয়ে তার একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। এটি দলের এবং বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় ও আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক রাজনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের নেতৃত্বের একটা বোঝাপড়া থাকে। এই বোঝাপড়া দেশে নেতৃত্বের সংকট তৈরি করে, একইসঙ্গে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করে।’