বিদেশ পাঠানোর নামে ৪০ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, উল্টো মামলার আসামি বিধবা নারী
- আপডেট সময় : ০৩:১৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
- / 21
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি:
রাজধানীর কেরানীগঞ্জে ছেলে ও মেয়ের জামাতাকে ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৪০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতিকার চেয়েছেন মায়া বেগম নামে এক বিধবা নারী। তাঁর দাবি, টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে উল্টো একাধিক মামলার আসামি হয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন।
মায়া বেগম অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালে পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে জিনজিরা এলাকার পান্না বেগম তাঁর ছেলে রিফাত হোসেন ও মেয়ের জামাতা মো. সোহেলকে ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দেন। এ জন্য উভয় পক্ষের মধ্যে ৪০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়। পরে ঋণ ও ধারদেনা করে কয়েক দফায় তিনি পান্না বেগমকে ওই টাকা পরিশোধ করেন এবং পাসপোর্ট হস্তান্তর করেন।
তার দাবি, নির্ধারিত সময় পার হলেও তাঁদের ইতালি পাঠানো হয়নি। পরে টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন সময় আশ্বাস দেওয়া হয়। একপর্যায়ে পান্না বেগম ৪০ লাখ টাকার একটি ব্যাংক চেক দিলেও সেটি ডিজঅনার হয়। এরপর তিনি ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
মায়া বেগমের অভিযোগ, ওই মামলার জেরে পান্না বেগম তাঁর বিরুদ্ধে পাল্টা একাধিক মামলা করেন। এর মধ্যে চেক জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার তদন্তভার পায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তদন্তের সময় তাঁর কাছে ৫ লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, সিআইডির ফরেনসিক হস্তলিপি পরীক্ষায় চেকে মায়া বেগমের স্বাক্ষর পাওয়া গেছে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পান্না বেগমের বিস্তারিত বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি।
মামলাগুলো বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।


















