ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী লায়ন মো. ওমর ফারুক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের সোর্স সাগর গ্রেপ্তার নবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আইইডিসিআর-এর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ আট বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এর পৃথক অভিযানে হত্যা ও অপহরণ মামলার ০২ আসামি গ্রেফতার। পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলো ছাত্রদল নেতারা  হযরতপুরে চাচা হাজী দুঃখ মিয়া বিরুদ্ধে জাল দলিল ও জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে ভাতিজা আলা. পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত কেরানীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া সম্ভব কি না জানতে চেয়েছে ইরান: ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 105
আজকের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুযোগ আছে কি না, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরান তা জানতে চেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, ইরান জানতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে পারবে কি না।

একইসঙ্গে নিষেধাজ্ঞা ইরানের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং তিনি আলোচনায় উন্মুক্ত আছেন বলেও দাবি করেছেন মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “ইরান জানতে চেয়েছে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া সম্ভব কি না। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের নিজেদের ইচ্ছেমতো কাজ করতে বড় বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। আমি বিষয়টি শুনতে আগ্রহী এবং দেখি কী হয়। আমি এ ব্যাপারে উন্মুক্ত।”

নিউইয়র্কে জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী মিশন এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে সোমবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলকে সমর্থন দেওয়া, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখা এবং ওই অঞ্চলের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা বন্ধ না করে, তাহলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সহযোগিতা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

রয়টার্স বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে তার তথাকথিত “সর্বোচ্চ চাপ” প্রয়োগের নীতি আবারও চালু করেন। এর আওতায় তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে নতুন করে চাপ প্রয়োগ করছে দেশটি।

এছাড়া ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যে চলতি বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলাও চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে দুই দেশ পারমাণবিক ইস্যুতে পাঁচ দফা আলোচনা করেছিল। তবে জুনে ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের পর থেকে আলোচনায় অচলাবস্থা দেখা দেয়। উভয়পক্ষের মধ্যে প্রধান বিরোধের বিষয় হচ্ছে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম।

পশ্চিমা দেশগুলো চায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হোক যাতে ইরানের অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা শূন্যে নেমে আসে। কিন্তু তেহরান এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া সম্ভব কি না জানতে চেয়েছে ইরান: ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৪:১৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সুযোগ আছে কি না, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরান তা জানতে চেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, ইরান জানতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে পারবে কি না।

একইসঙ্গে নিষেধাজ্ঞা ইরানের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং তিনি আলোচনায় উন্মুক্ত আছেন বলেও দাবি করেছেন মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “ইরান জানতে চেয়েছে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া সম্ভব কি না। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের নিজেদের ইচ্ছেমতো কাজ করতে বড় বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। আমি বিষয়টি শুনতে আগ্রহী এবং দেখি কী হয়। আমি এ ব্যাপারে উন্মুক্ত।”

নিউইয়র্কে জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী মিশন এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে সোমবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলকে সমর্থন দেওয়া, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখা এবং ওই অঞ্চলের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা বন্ধ না করে, তাহলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সহযোগিতা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

রয়টার্স বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে তার তথাকথিত “সর্বোচ্চ চাপ” প্রয়োগের নীতি আবারও চালু করেন। এর আওতায় তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে নতুন করে চাপ প্রয়োগ করছে দেশটি।

এছাড়া ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যে চলতি বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলাও চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে দুই দেশ পারমাণবিক ইস্যুতে পাঁচ দফা আলোচনা করেছিল। তবে জুনে ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের পর থেকে আলোচনায় অচলাবস্থা দেখা দেয়। উভয়পক্ষের মধ্যে প্রধান বিরোধের বিষয় হচ্ছে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম।

পশ্চিমা দেশগুলো চায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হোক যাতে ইরানের অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা শূন্যে নেমে আসে। কিন্তু তেহরান এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।